11:43 am, Thursday, 15 January 2026

প্রবাসীদের কষ্টের ৯৭ হাজার রিঙ্গিত মেরে উধাও বগুড়ার আলামিন

দিগন্ত প্রতিদিন

1768313583385

 

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি:
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের প্রায় ৯৭ হাজার রিঙ্গিত আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

দেশটির কলালামপুরের Sea Park এলাকার কনস্ট্রাকশন প্রকল্পের সিকেটি (CKT) কোম্পানীর অধীনস্থে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশের বগুড়া সদরের আল আমীন কোম্পানির সুপার ভাইজার (কপালা) দায়িত্বে থাকা ৯ জন শ্রমিকের বেতন তুলে আত্মসাৎ করেন তিনি।

অভিযোগে জানা যায়, CKT কোম্পানিতে ভুক্তভোগী ৯ জন টানা ৪ মাস কাজ করেন। প্রথম মাসের বেতন পরিশোধ করলেও ৩ মাসের বেতন আটকে দেয়। পরে সুপার ভাইজারের দায়িত্বে থাকা আল আমীন কোম্পানি থেকে এ ৯ জনের বেতন তুলে নেন। তবে শ্রমিকদের সে টাকা পরিশোধ করেননি তিনি।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ৯৭ হাজার রিঙ্গিত যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আল আমীন বাংলাদেশে চলে যান। অভিযুক্ত আল আমীন বগুড়া জেলার বগুড়া সদর উপজেলার লাহেরীপাড়া ইউনিয়নের বিদুপাড়া গ্রামের ফজলু মুন্নার পুত্র।

অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, মালয়েশিয়া থেকে শ্রমিকদের টাকা আত্মসাৎ করে বাংলাদেশে পাচার করেন। এবং তড়িঘড়ি করে নিজ আঙিনায় স্থাপনা নির্মাণ করেন। প্রায় অর্ধকোটি টাকা দিয়ে ব্লিডিং (পাকা ঘর) নির্মাণ করেন আল আমীন।

আব্দুল গফফার, শওকত মোড়ল, জিন্নাত, জাহিদ খান, আসাদুল, হারুন অর রশিদ, কালাম, অদুত, আমিনউদ্দীনসহ ৯ জনের ৩ মাস করে বেতন আত্মসাৎ করার অভিযোগ প্রদান করেন এ প্রতিবেদনের নিকট।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রায় ১ বছর যাবত তাদের টাকা দিচ্ছে না। তাই আল আমীনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Update Time : 02:18:02 pm, Tuesday, 13 January 2026
80 Time View

প্রবাসীদের কষ্টের ৯৭ হাজার রিঙ্গিত মেরে উধাও বগুড়ার আলামিন

Update Time : 02:18:02 pm, Tuesday, 13 January 2026

 

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি:
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের প্রায় ৯৭ হাজার রিঙ্গিত আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

দেশটির কলালামপুরের Sea Park এলাকার কনস্ট্রাকশন প্রকল্পের সিকেটি (CKT) কোম্পানীর অধীনস্থে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশের বগুড়া সদরের আল আমীন কোম্পানির সুপার ভাইজার (কপালা) দায়িত্বে থাকা ৯ জন শ্রমিকের বেতন তুলে আত্মসাৎ করেন তিনি।

অভিযোগে জানা যায়, CKT কোম্পানিতে ভুক্তভোগী ৯ জন টানা ৪ মাস কাজ করেন। প্রথম মাসের বেতন পরিশোধ করলেও ৩ মাসের বেতন আটকে দেয়। পরে সুপার ভাইজারের দায়িত্বে থাকা আল আমীন কোম্পানি থেকে এ ৯ জনের বেতন তুলে নেন। তবে শ্রমিকদের সে টাকা পরিশোধ করেননি তিনি।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ৯৭ হাজার রিঙ্গিত যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আল আমীন বাংলাদেশে চলে যান। অভিযুক্ত আল আমীন বগুড়া জেলার বগুড়া সদর উপজেলার লাহেরীপাড়া ইউনিয়নের বিদুপাড়া গ্রামের ফজলু মুন্নার পুত্র।

অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, মালয়েশিয়া থেকে শ্রমিকদের টাকা আত্মসাৎ করে বাংলাদেশে পাচার করেন। এবং তড়িঘড়ি করে নিজ আঙিনায় স্থাপনা নির্মাণ করেন। প্রায় অর্ধকোটি টাকা দিয়ে ব্লিডিং (পাকা ঘর) নির্মাণ করেন আল আমীন।

আব্দুল গফফার, শওকত মোড়ল, জিন্নাত, জাহিদ খান, আসাদুল, হারুন অর রশিদ, কালাম, অদুত, আমিনউদ্দীনসহ ৯ জনের ৩ মাস করে বেতন আত্মসাৎ করার অভিযোগ প্রদান করেন এ প্রতিবেদনের নিকট।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রায় ১ বছর যাবত তাদের টাকা দিচ্ছে না। তাই আল আমীনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।